Breaking News
Home / স্বাস্থ্য সেবা / পালংশাকের জুস ঝরাবে শরীরের বাড়তি মেদ!

পালংশাকের জুস ঝরাবে শরীরের বাড়তি মেদ!

শীতের বাজারে প্রায়শই নজরে আসে ঘন সবুজ চকচকে পালংশাকের বান্ডিল। ছুটির দিন দুপুরে পালংশাকের ঝোল বা পালংপনির আম বাঙালির খুবই প্রিয় পদ। নিরাপদ খাদ্য হিসাবে পালংশাকের নাম আছে। কিন্তু, পালংশাকের জুস শরীরের পক্ষে যে প্রচণ্ড রকমের উপকারি তা আমরা ক’জন জানি! রোজ সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পালংশাকের জুস একজনকে শুধু শারীরিকভাবে সুস্থ রাখে না, সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে দেয়।

সহবাস করার পর যে সকল কাজ কখনোই করবেন না!

 

কী ধরনের খাদ্যাগুণাবলী আছে পালংশাকে?

প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, আয়রন এবং মিনারেলস রয়েছে পালংশাকে। পালংশাককে নিয়মিত খাদ্যাভাসে রাখলে হাড় দৃঢ় হয়। ত্বক এবং চুলের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়। ডায়াবেটিসের মাত্রা এবং ক্যানসারের সম্ভাবনা কমানোর মতো কাজও করে পালংশাক। হাঁপানি রোগীদের সুস্থ রাখতেও পালংশাক অনবদ্য। পালংশাকের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে। এর জন্য পালংশাক খাওয়া যৌবন ধরে রাখার পক্ষে সহায়ক বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
পালংশাকের এই গুণাবলীর সঙ্গে পরিচিত হলেও বহু মানুষ এটা জানেন না যে, রোজ সকালে খালি পেটে পালংশাকের জুস বাড়তি মেদ ঝরানোর পক্ষেও সহায়ক। মাত্র এক মাসের মধ্যেই পালংশাকের জুস খেয়ে ১৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলা যেতে পারে।

ঘাড়ের বিশ্রী কালো দাগ দূর করুন এই ৫টি উপায়ে!

কী ভাবে এই জুস তৈরি করবেন জেনে নিন- 
ব্লেন্ডারের মধ্যে পালংশাকের তাজা সবুজ পাতা ফেলুন। এরপর আদার ছোট কয়েকটি টুকরো ফেলে দিন। এক গ্লাস পানি ঢেলে দিন। এবার ব্লাইন্ড করে নিন। পুরো জিনিসটা জুসের মতো আকার নিলে গ্লাসে ঢেলে নিন। এরপর জুসের মধ্যে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার জুসটা পান করুন।

যে ঔষদে মেয়েরাই আপনার সাথে জোর করে সেক্স করবে!

 

রোজ সকালে এমনভাবেই পালংশাকের জুস বানিয়ে নিন। খুব বেশি ঝামেলাও পোহাতে হবে না। ১ মাস এই রুটিন অনুসরণ করলে দেখবেন, শুধু শরীরের বাড়তি মেদ ঝরেনি, সেই সঙ্গে ত্বক এবং চুলও হয়ে উঠেছে উজ্জ্বল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *